Categories
কৃষি

কিশমিশ খাওয়ার উপকারিতা

আঙুর ফলের শুকনা রূপই হচ্ছে কিশমিশ< যা তৈরি করা হয় সূর্যের তাপ অথবা মাইক্রোওয়েভ ওভেনের সাহায্যে। তাপের কারণে আঙুরের ফ্রুক্টোজগুলো জমাট বেঁধে পরিণত হয় কিশমিশে। কিশমিশ খেতে আমরা অনেকেই পছন্দ করি। তবে এর পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জানি না। ৭০ শতাংশ খাঁটি এই ফ্রুক্টোজ সহজেই হজমযোগ্য। স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের জন্য খাদ্যতালিকায় কিশমিশ রাখতে পারেন। আসুন জেনে নিই কিশমিশের পুষ্টিগুণ- ১. রক্তে লৌহের পরিমাণ কম হলে অবসাদ, দুর্বলতা, হতাশায় ভুগতে পারেন। এ ছাড়া শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমতে পারে। কিশমিশে প্রচুর পরিমাণে লৌহ আছে, যা রক্তশূন্যতা দূর করে।

২. কিশমিশ হাড় সুস্থ রাখে। হাড়ের এই রোগ প্রতিরোধ করতে বোরন নামের খনিজ পদার্থ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আর কিশমিশ বোরনের অন্যতম উৎস। বোরনে রয়েছে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম— যা হাড় গঠনের পাশাপাশি শরীরে টেসটোসটেরন এবং ইস্ট্রোজেনের মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে। ৩. অতিরিক্ত অ্যাসিডিটি বা রক্ত দূষিত হওয়াকে বলে অ্যাসিডোসিস, যা থেকে আথ্রাইটিস, চামড়া রোগ, হৃদরোগ এবং ক্যান্সার হতে পারে। অ্যান্টাসিডস হিসেবে পরিচিতি দুটি উপাদান ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাশিয়াম শরীরের ক্ষরীয়ভাব স্বাভাবিক করে অ্যাসিডোসিসের হাত থেকে বাঁচায়। আর এই উপাদানগুলো কিশমিশে রয়েছে। ৪. নিয়মিত কিশমিশ খেলে বৃদ্ধ বয়সেও দৃষ্টিহীন হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। পাশাপাশি কিশমিশে থাকা পলিফেনল উপাদান ক্ষতিকারক ফ্রি-রেডিকেলস ধ্বংস করে চোখকে বিভিন্ন রোগ থেকে রক্ষা করে। ৫. বিষাক্ত পদার্থ দূর করে রক্ত পরিষ্কার রাখে কিশমিশ। এ ছাড়া রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। তথ্যসূত্র: বোল্ডস্কাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *