Categories
বিনোদন

শীতে ঘুরে আসুন সিলেটের জাফলং

সিলেটের জাফলং প্রকৃতি কন্যা হিসাবে পরিচিত। খাসিয়া জৈন্তা পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত জাফলং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরূপ লীলাভূমি। পিয়াইন নদীর তীরে স্তরে স্তরে বিছানো পাথরের স্তূপ জাফলংকে করেছে দৃষ্টিনন্দন। সীমান্তের ওপারে ইনডিয়ান পাহাড় টিলা, ডাউকি পাহাড় থেকে অবিরাম-ধারায় প্রবহমান জলপ্রপাত, ঝুলন্ত ডাউকি ব্রিজ, পিয়াইন নদীর স্বচ্ছ হিমেল-পানি, উঁচু পাহাড়ে গহীন অরণ্য ও শুনশান নীরবতার কারণে পর্যটকদের দারুণভাবে মোহাবিষ্ট করে। এসব দৃশ্যপট দেখতে প্রতিদিনই দেশি-বিদেশি পর্যটকরা ছুটে আসেন এখানে।

সারিবদ্ধ চা বাগান, চারদিকে সবুজের সমারোহ, উঁচু-নিচু পাহাড়-টিলা, গহীন অরণ্য আর ঝর্ণাধারা। এছাড়া আছে লালা খাল, খাসিয়াপুঞ্জি, রাতারগুল, লোভাছড়া, পানতুমাই, বিছনাকান্দি। উঁচু পাহাড়, স্বচ্ছ জল, রকমারি নুড়ি পাথরের সমন্বয়ে গড়া আসাম সীমান্তবর্তী জাফলং। যান্ত্রিক কোলাহল ছেড়ে একটু প্রশান্তির জন্য অনেকেই আসেন এখানে। সিলেটনগরী থেকে ৬২ কিলোমিটার উত্তর পূর্ব দিকে গোয়াইনঘাট উপজেলায় জাফলং এর অবস্থান। জাফলংয়ে শীত ও বর্ষা মওসুমের সৌন্দর্যের রূপ ভিন্ন। বর্ষায় জাফলং এর রূপ লাবণ্য যেন ভিন্ন মাত্রায় ফুটে উঠে।

Categories
বিনোদন

শখ ও চাহিদা পূরণে কবুতর পালন

কবুতর পালন বেশ লাভজনক। শান্তির প্রতীকও বিবেচনা করা হয়। আজকের আয়োজন পাখিটির বিভিন্ন দিক নিয়ে

কবুতর গৃহপালিত পাখি। একে শান্তির প্রতীক হিসেবেও ধরা হয়। প্রায় সব মানুষই কবুতর ভালোবাসে। তাই বাড়িতে পালন করে অনেকে বিভিন্ন চাহিদা মিটিয়ে থাকেন। কেউ শখের বশে, কেউবা পূরণে কবুতর লালন-পালন করেন। এর বেশ সুস্বাদু। তাই এর প্রতি আগ্রহও রয়েছে অনেকের। এসব চাহিদার কারণে বাড়ছে কবুতর পালন। এজন্য কিছু বিষয়ে খেয়াল রাখতে হয়। তবেই সফলতা আসে।
কবুতর মূলত তিন পদ্ধতিতে পালন
করা যায়:

মুক্ত পদ্ধতি কবুতরের ঘর আবাসস্থলের ২০০ থেকে ৩০০ ফুট দূরে দক্ষিণমুখী হতে হবে। মাটি থেকে এদের ঘরের উচ্চতা আট থেকে ১০ ফুট হবে। খোপ সাধারণত দুই থেকে তিনতলা বিশিষ্ট করা হয়। এমন খোপের আয়তন প্রতিজোড়া ছোট আকারের কবুতরের জন্য ৩০ সেন্টিমিটার ও বড় আকারের কবুতরের জন্য ৫০ সেন্টিমিটার হলে ভালো। ফলে কবুতর ইচ্ছেমতো চলাচলের সুযোগ পায়।

খাঁচা পদ্ধতি অনেক শৌখিন ব্যক্তি খাঁচায় বিভিন্ন ধরনের নজরকাড়া কবুতর পুষে থাকেন। তাদের পালন করা কবুতর যে কত সুন্দর হতে পারে, তা না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না। এসব আকার কেমন হবে তা নির্ভর করে আপনি কোন ধরনের কবুতর পালতে চাচ্ছেন, তার ওপর। শুধু গিরিবাজ পালতে চাইলে ছোট বা মাঝারি আকারের খাঁচা হলেই চলে। সৌখিন কবুতর পালতে চান? তাহলে সাধারণের থেকে একটু বড় হতে হবে খাঁচা।

ঘরের ভেতরে উম্মুক্ত পদ্ধতি এ পদ্ধতিতে আনেক কবুতর একসঙ্গে পালন করা যায়। একটি খামারের জন্য ৩০ থেকে ৪০ জোড়া কবুতর আদর্শ। এমন ঘরের মাপ হবে দশমিক পাঁচ ফুট। অল্প খরচে সহজে ঘর তৈরি ও স্থানান্তর করার জন্য কাঠ, টিন, বাঁশ, খড় প্রভৃতি উপকরণ কাজে লাগান। ঘরের মধ্যে কবুতরের ডিম দেওয়ার জায়গা তৈরি করে দিতে হয়। অনেক সময় নরম ও শুকনো রেখে দিলে তারা ঠোঁটে করে নিয়েই নিজেরাই বাসা তৈরি করে নেয়।

সাধারণ বাসস্থান উচ্চ বাসস্থান কবুতর পালনের জন্য খুব দরকার। কেননা, যায়। তাছাড়া এতে পর্যাপ্ত সূর্যের আলো ও বাতাস চলাচলের ব্যবস্থাও পাওয়া যায়। সতর্ক থাকতে হবে বৃষ্টির পানি যাতে সেখানে না পৌঁছায়। তাই ব্যবস্থা রাখতে হবে। কবুতরের ঘর তৈরির জন্য পাতলা কাঠ বা টিন অথবা বাঁশ প্রয়োজন। প্রতিটি কবুতরের জন্য ৩০ সেন্টিমিটার লম্বা, উঁচু ও প্রশস্ত জায়গার প্রয়োজন। প্রতিটি ঘর এমনভাবে তৈরি করতে হবে, যাতে সেখানে তিনটি কবুতর থাকতে পারে। ঘরে সেন্টিমিটার পরিমাপের দরজা থাকতে হবে। সব সময় ঘর পরিষ্কার ও শুষ্ক রাখতে হবে। কাছাকাছি শুকনো খড় রাখুন। তারা নিজেরাই খড় দিয়ে নিজেদের মতো করে বিছানা করে নেবে। বাইরে পাতলা কাঠ পেতে রাখতে হবে, যাতে সেখানে খাবার ও পানি রাখা যায়। এখান থেকে এরা পান করবে ও পানির পাত্র থেকে গোসল করতে পারবে। সব সময় পরিষ্কার পানি পরিবেশনের চেষ্টা করতে হবে।