Categories
কৃষি

শখ ও চাহিদা পূরণে কবুতর পালন

কবুতর পালন বেশ লাভজনক। শান্তির প্রতীকও বিবেচনা করা হয়। আজকের আয়োজন পাখিটির বিভিন্ন দিক নিয়ে

কবুতর গৃহপালিত পাখি। একে শান্তির প্রতীক হিসেবেও ধরা হয়। প্রায় সব মানুষই কবুতর ভালোবাসে। তাই বাড়িতে পালন করে অনেকে বিভিন্ন চাহিদা মিটিয়ে থাকেন। কেউ শখের বশে, কেউবা পূরণে কবুতর লালন-পালন করেন। এর বেশ সুস্বাদু। তাই এর প্রতি আগ্রহও রয়েছে অনেকের। এসব চাহিদার কারণে বাড়ছে কবুতর পালন। এজন্য কিছু বিষয়ে খেয়াল রাখতে হয়। তবেই সফলতা আসে।
কবুতর মূলত তিন পদ্ধতিতে পালন
করা যায়:

মুক্ত পদ্ধতি কবুতরের ঘর আবাসস্থলের ২০০ থেকে ৩০০ ফুট দূরে দক্ষিণমুখী হতে হবে। মাটি থেকে এদের ঘরের উচ্চতা আট থেকে ১০ ফুট হবে। খোপ সাধারণত দুই থেকে তিনতলা বিশিষ্ট করা হয়। এমন খোপের আয়তন প্রতিজোড়া ছোট আকারের কবুতরের জন্য ৩০ সেন্টিমিটার ও বড় আকারের কবুতরের জন্য ৫০ সেন্টিমিটার হলে ভালো। ফলে কবুতর ইচ্ছেমতো চলাচলের সুযোগ পায়।

খাঁচা পদ্ধতি অনেক শৌখিন ব্যক্তি খাঁচায় বিভিন্ন ধরনের নজরকাড়া কবুতর পুষে থাকেন। তাদের পালন করা কবুতর যে কত সুন্দর হতে পারে, তা না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না। এসব আকার কেমন হবে তা নির্ভর করে আপনি কোন ধরনের কবুতর পালতে চাচ্ছেন, তার ওপর। শুধু গিরিবাজ পালতে চাইলে ছোট বা মাঝারি আকারের খাঁচা হলেই চলে। সৌখিন কবুতর পালতে চান? তাহলে সাধারণের থেকে একটু বড় হতে হবে খাঁচা।

ঘরের ভেতরে উম্মুক্ত পদ্ধতি এ পদ্ধতিতে আনেক কবুতর একসঙ্গে পালন করা যায়। একটি খামারের জন্য ৩০ থেকে ৪০ জোড়া কবুতর আদর্শ। এমন ঘরের মাপ হবে দশমিক পাঁচ ফুট। অল্প খরচে সহজে ঘর তৈরি ও স্থানান্তর করার জন্য কাঠ, টিন, বাঁশ, খড় প্রভৃতি উপকরণ কাজে লাগান। ঘরের মধ্যে কবুতরের ডিম দেওয়ার জায়গা তৈরি করে দিতে হয়। অনেক সময় নরম ও শুকনো রেখে দিলে তারা ঠোঁটে করে নিয়েই নিজেরাই বাসা তৈরি করে নেয়।

সাধারণ বাসস্থান উচ্চ বাসস্থান কবুতর পালনের জন্য খুব দরকার। কেননা, যায়। তাছাড়া এতে পর্যাপ্ত সূর্যের আলো ও বাতাস চলাচলের ব্যবস্থাও পাওয়া যায়। সতর্ক থাকতে হবে বৃষ্টির পানি যাতে সেখানে না পৌঁছায়। তাই ব্যবস্থা রাখতে হবে। কবুতরের ঘর তৈরির জন্য পাতলা কাঠ বা টিন অথবা বাঁশ প্রয়োজন। প্রতিটি কবুতরের জন্য ৩০ সেন্টিমিটার লম্বা, উঁচু ও প্রশস্ত জায়গার প্রয়োজন। প্রতিটি ঘর এমনভাবে তৈরি করতে হবে, যাতে সেখানে তিনটি কবুতর থাকতে পারে। ঘরে সেন্টিমিটার পরিমাপের দরজা থাকতে হবে। সব সময় ঘর পরিষ্কার ও শুষ্ক রাখতে হবে। কাছাকাছি শুকনো খড় রাখুন। তারা নিজেরাই খড় দিয়ে নিজেদের মতো করে বিছানা করে নেবে। বাইরে পাতলা কাঠ পেতে রাখতে হবে, যাতে সেখানে খাবার ও পানি রাখা যায়। এখান থেকে এরা পান করবে ও পানির পাত্র থেকে গোসল করতে পারবে। সব সময় পরিষ্কার পানি পরিবেশনের চেষ্টা করতে হবে।

Categories
বিনোদন

শখ ও চাহিদা পূরণে কবুতর পালন

কবুতর পালন বেশ লাভজনক। শান্তির প্রতীকও বিবেচনা করা হয়। আজকের আয়োজন পাখিটির বিভিন্ন দিক নিয়ে

কবুতর গৃহপালিত পাখি। একে শান্তির প্রতীক হিসেবেও ধরা হয়। প্রায় সব মানুষই কবুতর ভালোবাসে। তাই বাড়িতে পালন করে অনেকে বিভিন্ন চাহিদা মিটিয়ে থাকেন। কেউ শখের বশে, কেউবা পূরণে কবুতর লালন-পালন করেন। এর বেশ সুস্বাদু। তাই এর প্রতি আগ্রহও রয়েছে অনেকের। এসব চাহিদার কারণে বাড়ছে কবুতর পালন। এজন্য কিছু বিষয়ে খেয়াল রাখতে হয়। তবেই সফলতা আসে।
কবুতর মূলত তিন পদ্ধতিতে পালন
করা যায়:

মুক্ত পদ্ধতি কবুতরের ঘর আবাসস্থলের ২০০ থেকে ৩০০ ফুট দূরে দক্ষিণমুখী হতে হবে। মাটি থেকে এদের ঘরের উচ্চতা আট থেকে ১০ ফুট হবে। খোপ সাধারণত দুই থেকে তিনতলা বিশিষ্ট করা হয়। এমন খোপের আয়তন প্রতিজোড়া ছোট আকারের কবুতরের জন্য ৩০ সেন্টিমিটার ও বড় আকারের কবুতরের জন্য ৫০ সেন্টিমিটার হলে ভালো। ফলে কবুতর ইচ্ছেমতো চলাচলের সুযোগ পায়।

খাঁচা পদ্ধতি অনেক শৌখিন ব্যক্তি খাঁচায় বিভিন্ন ধরনের নজরকাড়া কবুতর পুষে থাকেন। তাদের পালন করা কবুতর যে কত সুন্দর হতে পারে, তা না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না। এসব আকার কেমন হবে তা নির্ভর করে আপনি কোন ধরনের কবুতর পালতে চাচ্ছেন, তার ওপর। শুধু গিরিবাজ পালতে চাইলে ছোট বা মাঝারি আকারের খাঁচা হলেই চলে। সৌখিন কবুতর পালতে চান? তাহলে সাধারণের থেকে একটু বড় হতে হবে খাঁচা।

ঘরের ভেতরে উম্মুক্ত পদ্ধতি এ পদ্ধতিতে আনেক কবুতর একসঙ্গে পালন করা যায়। একটি খামারের জন্য ৩০ থেকে ৪০ জোড়া কবুতর আদর্শ। এমন ঘরের মাপ হবে দশমিক পাঁচ ফুট। অল্প খরচে সহজে ঘর তৈরি ও স্থানান্তর করার জন্য কাঠ, টিন, বাঁশ, খড় প্রভৃতি উপকরণ কাজে লাগান। ঘরের মধ্যে কবুতরের ডিম দেওয়ার জায়গা তৈরি করে দিতে হয়। অনেক সময় নরম ও শুকনো রেখে দিলে তারা ঠোঁটে করে নিয়েই নিজেরাই বাসা তৈরি করে নেয়।

সাধারণ বাসস্থান উচ্চ বাসস্থান কবুতর পালনের জন্য খুব দরকার। কেননা, যায়। তাছাড়া এতে পর্যাপ্ত সূর্যের আলো ও বাতাস চলাচলের ব্যবস্থাও পাওয়া যায়। সতর্ক থাকতে হবে বৃষ্টির পানি যাতে সেখানে না পৌঁছায়। তাই ব্যবস্থা রাখতে হবে। কবুতরের ঘর তৈরির জন্য পাতলা কাঠ বা টিন অথবা বাঁশ প্রয়োজন। প্রতিটি কবুতরের জন্য ৩০ সেন্টিমিটার লম্বা, উঁচু ও প্রশস্ত জায়গার প্রয়োজন। প্রতিটি ঘর এমনভাবে তৈরি করতে হবে, যাতে সেখানে তিনটি কবুতর থাকতে পারে। ঘরে সেন্টিমিটার পরিমাপের দরজা থাকতে হবে। সব সময় ঘর পরিষ্কার ও শুষ্ক রাখতে হবে। কাছাকাছি শুকনো খড় রাখুন। তারা নিজেরাই খড় দিয়ে নিজেদের মতো করে বিছানা করে নেবে। বাইরে পাতলা কাঠ পেতে রাখতে হবে, যাতে সেখানে খাবার ও পানি রাখা যায়। এখান থেকে এরা পান করবে ও পানির পাত্র থেকে গোসল করতে পারবে। সব সময় পরিষ্কার পানি পরিবেশনের চেষ্টা করতে হবে।

Categories
আন্তর্জাতিক

শখ ও চাহিদা পূরণে কবুতর পালন

কবুতর পালন বেশ লাভজনক। শান্তির প্রতীকও বিবেচনা করা হয়। আজকের আয়োজন পাখিটির বিভিন্ন দিক নিয়ে

কবুতর গৃহপালিত পাখি। একে শান্তির প্রতীক হিসেবেও ধরা হয়। প্রায় সব মানুষই কবুতর ভালোবাসে। তাই বাড়িতে পালন করে অনেকে বিভিন্ন চাহিদা মিটিয়ে থাকেন। কেউ শখের বশে, কেউবা পূরণে কবুতর লালন-পালন করেন। এর বেশ সুস্বাদু। তাই এর প্রতি আগ্রহও রয়েছে অনেকের। এসব চাহিদার কারণে বাড়ছে কবুতর পালন। এজন্য কিছু বিষয়ে খেয়াল রাখতে হয়। তবেই সফলতা আসে।
কবুতর মূলত তিন পদ্ধতিতে পালন
করা যায়:

মুক্ত পদ্ধতি কবুতরের ঘর আবাসস্থলের ২০০ থেকে ৩০০ ফুট দূরে দক্ষিণমুখী হতে হবে। মাটি থেকে এদের ঘরের উচ্চতা আট থেকে ১০ ফুট হবে। খোপ সাধারণত দুই থেকে তিনতলা বিশিষ্ট করা হয়। এমন খোপের আয়তন প্রতিজোড়া ছোট আকারের কবুতরের জন্য ৩০ সেন্টিমিটার ও বড় আকারের কবুতরের জন্য ৫০ সেন্টিমিটার হলে ভালো। ফলে কবুতর ইচ্ছেমতো চলাচলের সুযোগ পায়।

খাঁচা পদ্ধতি অনেক শৌখিন ব্যক্তি খাঁচায় বিভিন্ন ধরনের নজরকাড়া কবুতর পুষে থাকেন। তাদের পালন করা কবুতর যে কত সুন্দর হতে পারে, তা না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না। এসব আকার কেমন হবে তা নির্ভর করে আপনি কোন ধরনের কবুতর পালতে চাচ্ছেন, তার ওপর। শুধু গিরিবাজ পালতে চাইলে ছোট বা মাঝারি আকারের খাঁচা হলেই চলে। সৌখিন কবুতর পালতে চান? তাহলে সাধারণের থেকে একটু বড় হতে হবে খাঁচা।

ঘরের ভেতরে উম্মুক্ত পদ্ধতি এ পদ্ধতিতে আনেক কবুতর একসঙ্গে পালন করা যায়। একটি খামারের জন্য ৩০ থেকে ৪০ জোড়া কবুতর আদর্শ। এমন ঘরের মাপ হবে দশমিক পাঁচ ফুট। অল্প খরচে সহজে ঘর তৈরি ও স্থানান্তর করার জন্য কাঠ, টিন, বাঁশ, খড় প্রভৃতি উপকরণ কাজে লাগান। ঘরের মধ্যে কবুতরের ডিম দেওয়ার জায়গা তৈরি করে দিতে হয়। অনেক সময় নরম ও শুকনো রেখে দিলে তারা ঠোঁটে করে নিয়েই নিজেরাই বাসা তৈরি করে নেয়।

সাধারণ বাসস্থান উচ্চ বাসস্থান কবুতর পালনের জন্য খুব দরকার। কেননা, যায়। তাছাড়া এতে পর্যাপ্ত সূর্যের আলো ও বাতাস চলাচলের ব্যবস্থাও পাওয়া যায়। সতর্ক থাকতে হবে বৃষ্টির পানি যাতে সেখানে না পৌঁছায়। তাই ব্যবস্থা রাখতে হবে। কবুতরের ঘর তৈরির জন্য পাতলা কাঠ বা টিন অথবা বাঁশ প্রয়োজন। প্রতিটি কবুতরের জন্য ৩০ সেন্টিমিটার লম্বা, উঁচু ও প্রশস্ত জায়গার প্রয়োজন। প্রতিটি ঘর এমনভাবে তৈরি করতে হবে, যাতে সেখানে তিনটি কবুতর থাকতে পারে। ঘরে সেন্টিমিটার পরিমাপের দরজা থাকতে হবে। সব সময় ঘর পরিষ্কার ও শুষ্ক রাখতে হবে। কাছাকাছি শুকনো খড় রাখুন। তারা নিজেরাই খড় দিয়ে নিজেদের মতো করে বিছানা করে নেবে। বাইরে পাতলা কাঠ পেতে রাখতে হবে, যাতে সেখানে খাবার ও পানি রাখা যায়। এখান থেকে এরা পান করবে ও পানির পাত্র থেকে গোসল করতে পারবে। সব সময় পরিষ্কার পানি পরিবেশনের চেষ্টা করতে হবে।

Categories
দেশজুড়ে

শখ ও চাহিদা পূরণে কবুতর পালন

কবুতর পালন বেশ লাভজনক। শান্তির প্রতীকও বিবেচনা করা হয়। আজকের আয়োজন পাখিটির বিভিন্ন দিক নিয়ে

কবুতর গৃহপালিত পাখি। একে শান্তির প্রতীক হিসেবেও ধরা হয়। প্রায় সব মানুষই কবুতর ভালোবাসে। তাই বাড়িতে পালন করে অনেকে বিভিন্ন চাহিদা মিটিয়ে থাকেন। কেউ শখের বশে, কেউবা পূরণে কবুতর লালন-পালন করেন। এর বেশ সুস্বাদু। তাই এর প্রতি আগ্রহও রয়েছে অনেকের। এসব চাহিদার কারণে বাড়ছে কবুতর পালন। এজন্য কিছু বিষয়ে খেয়াল রাখতে হয়। তবেই সফলতা আসে।
কবুতর মূলত তিন পদ্ধতিতে পালন
করা যায়:

মুক্ত পদ্ধতি কবুতরের ঘর আবাসস্থলের ২০০ থেকে ৩০০ ফুট দূরে দক্ষিণমুখী হতে হবে। মাটি থেকে এদের ঘরের উচ্চতা আট থেকে ১০ ফুট হবে। খোপ সাধারণত দুই থেকে তিনতলা বিশিষ্ট করা হয়। এমন খোপের আয়তন প্রতিজোড়া ছোট আকারের কবুতরের জন্য ৩০ সেন্টিমিটার ও বড় আকারের কবুতরের জন্য ৫০ সেন্টিমিটার হলে ভালো। ফলে কবুতর ইচ্ছেমতো চলাচলের সুযোগ পায়।

খাঁচা পদ্ধতি অনেক শৌখিন ব্যক্তি খাঁচায় বিভিন্ন ধরনের নজরকাড়া কবুতর পুষে থাকেন। তাদের পালন করা কবুতর যে কত সুন্দর হতে পারে, তা না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না। এসব আকার কেমন হবে তা নির্ভর করে আপনি কোন ধরনের কবুতর পালতে চাচ্ছেন, তার ওপর। শুধু গিরিবাজ পালতে চাইলে ছোট বা মাঝারি আকারের খাঁচা হলেই চলে। সৌখিন কবুতর পালতে চান? তাহলে সাধারণের থেকে একটু বড় হতে হবে খাঁচা।

ঘরের ভেতরে উম্মুক্ত পদ্ধতি এ পদ্ধতিতে আনেক কবুতর একসঙ্গে পালন করা যায়। একটি খামারের জন্য ৩০ থেকে ৪০ জোড়া কবুতর আদর্শ। এমন ঘরের মাপ হবে দশমিক পাঁচ ফুট। অল্প খরচে সহজে ঘর তৈরি ও স্থানান্তর করার জন্য কাঠ, টিন, বাঁশ, খড় প্রভৃতি উপকরণ কাজে লাগান। ঘরের মধ্যে কবুতরের ডিম দেওয়ার জায়গা তৈরি করে দিতে হয়। অনেক সময় নরম ও শুকনো রেখে দিলে তারা ঠোঁটে করে নিয়েই নিজেরাই বাসা তৈরি করে নেয়।

সাধারণ বাসস্থান উচ্চ বাসস্থান কবুতর পালনের জন্য খুব দরকার। কেননা, যায়। তাছাড়া এতে পর্যাপ্ত সূর্যের আলো ও বাতাস চলাচলের ব্যবস্থাও পাওয়া যায়। সতর্ক থাকতে হবে বৃষ্টির পানি যাতে সেখানে না পৌঁছায়। তাই ব্যবস্থা রাখতে হবে। কবুতরের ঘর তৈরির জন্য পাতলা কাঠ বা টিন অথবা বাঁশ প্রয়োজন। প্রতিটি কবুতরের জন্য ৩০ সেন্টিমিটার লম্বা, উঁচু ও প্রশস্ত জায়গার প্রয়োজন। প্রতিটি ঘর এমনভাবে তৈরি করতে হবে, যাতে সেখানে তিনটি কবুতর থাকতে পারে। ঘরে সেন্টিমিটার পরিমাপের দরজা থাকতে হবে। সব সময় ঘর পরিষ্কার ও শুষ্ক রাখতে হবে। কাছাকাছি শুকনো খড় রাখুন। তারা নিজেরাই খড় দিয়ে নিজেদের মতো করে বিছানা করে নেবে। বাইরে পাতলা কাঠ পেতে রাখতে হবে, যাতে সেখানে খাবার ও পানি রাখা যায়। এখান থেকে এরা পান করবে ও পানির পাত্র থেকে গোসল করতে পারবে। সব সময় পরিষ্কার পানি পরিবেশনের চেষ্টা করতে হবে।

Categories
অন্যান্য

সব ধরনের মাটিতে চাষ করা যায়

চাষকৃত জমি ছাড়াও বসতবাড়ির আশপাশেও লাউয়ের চাষ করা যায়। তবে এ সবজিটি চাষাবাদে বিশেষ প্রয়োজন রয়েছে।বাংলাদেশে প্রায় সব ধরনের মাটিতে লাউ চাষ করা যায়। তবে ও বেলে দোআঁশ মাটি বেশ উপযোগী।

বারি লাউ–১ জাতটি দেশের আবহাওয়ার জন্য উপযুক্ত। এ সবজি রোপণের সঠিক সময় আগস্ট থেকে সেপ্টেম্বর। লাউ শীতকালীন ফসল হলেও এর চাষ করা হয় অর্থাৎ বেশি শীতও নয়, আবার বেশি গরমও নয়–এমন সময়ে।

শীতকালের শুরুতে এর গাছ হয়। লাউ চাষের জন্য পলিথিন ব্যাগে চারা তৈরি করা উত্তম। এছাড়া মাটি দিয়ে মাদা তৈরি করে চারা উৎপাদন করা যায়। বীজ থেকে চারা উৎপাদন হলে বাড়ির আশেপাশে চারা লাগানো যেতে পারে। বেশি পরিমাণে লাউয়ের চাষ করতে চাইলে চাষকৃত জমিতে চাষ ও মই দিয়ে রোপণের জন্য তৈরি করতে হবে। নির্দিষ্ট দূরত্বে প্রতি মাদায় দুটি করে চারা রোপণ করতে হয়। মাদার ওপরে মাচা দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। রবি মৌসুমে লাউ মাচাবিহীন অবস্থায় চাষ করা যায়। রোপণের পর মাটির অবস্থা বুঝে সেচ দিতে হবে।

লাউয়ে তেমন নেই। তবে দেখা দিতে পারে। এ থেকে করতে হবে। দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে লাউ খাওয়ার উপযুক্ত হয়।

Categories
অন্যান্য

সব ধরনের মাটিতে চাষ করা যায়

চাষকৃত জমি ছাড়াও বসতবাড়ির আশপাশেও লাউয়ের চাষ করা যায়। তবে এ সবজিটি চাষাবাদে বিশেষ প্রয়োজন রয়েছে।বাংলাদেশে প্রায় সব ধরনের মাটিতে লাউ চাষ করা যায়। তবে ও বেলে দোআঁশ মাটি বেশ উপযোগী।

বারি লাউ–১ জাতটি দেশের আবহাওয়ার জন্য উপযুক্ত। এ সবজি রোপণের সঠিক সময় আগস্ট থেকে সেপ্টেম্বর। লাউ শীতকালীন ফসল হলেও এর চাষ করা হয় অর্থাৎ বেশি শীতও নয়, আবার বেশি গরমও নয়–এমন সময়ে।

শীতকালের শুরুতে এর গাছ হয়। লাউ চাষের জন্য পলিথিন ব্যাগে চারা তৈরি করা উত্তম। এছাড়া মাটি দিয়ে মাদা তৈরি করে চারা উৎপাদন করা যায়। বীজ থেকে চারা উৎপাদন হলে বাড়ির আশেপাশে চারা লাগানো যেতে পারে। বেশি পরিমাণে লাউয়ের চাষ করতে চাইলে চাষকৃত জমিতে চাষ ও মই দিয়ে রোপণের জন্য তৈরি করতে হবে। নির্দিষ্ট দূরত্বে প্রতি মাদায় দুটি করে চারা রোপণ করতে হয়। মাদার ওপরে মাচা দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। রবি মৌসুমে লাউ মাচাবিহীন অবস্থায় চাষ করা যায়। রোপণের পর মাটির অবস্থা বুঝে সেচ দিতে হবে।

লাউয়ে তেমন নেই। তবে দেখা দিতে পারে। এ থেকে করতে হবে। দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে লাউ খাওয়ার উপযুক্ত হয়।

Categories
অন্যান্য

সব ধরনের মাটিতে চাষ করা যায়

চাষকৃত জমি ছাড়াও বসতবাড়ির আশপাশেও লাউয়ের চাষ করা যায়। তবে এ সবজিটি চাষাবাদে বিশেষ প্রয়োজন রয়েছে।বাংলাদেশে প্রায় সব ধরনের মাটিতে লাউ চাষ করা যায়। তবে ও বেলে দোআঁশ মাটি বেশ উপযোগী।

বারি লাউ–১ জাতটি দেশের আবহাওয়ার জন্য উপযুক্ত। এ সবজি রোপণের সঠিক সময় আগস্ট থেকে সেপ্টেম্বর। লাউ শীতকালীন ফসল হলেও এর চাষ করা হয় অর্থাৎ বেশি শীতও নয়, আবার বেশি গরমও নয়–এমন সময়ে।

শীতকালের শুরুতে এর গাছ হয়। লাউ চাষের জন্য পলিথিন ব্যাগে চারা তৈরি করা উত্তম। এছাড়া মাটি দিয়ে মাদা তৈরি করে চারা উৎপাদন করা যায়। বীজ থেকে চারা উৎপাদন হলে বাড়ির আশেপাশে চারা লাগানো যেতে পারে। বেশি পরিমাণে লাউয়ের চাষ করতে চাইলে চাষকৃত জমিতে চাষ ও মই দিয়ে রোপণের জন্য তৈরি করতে হবে। নির্দিষ্ট দূরত্বে প্রতি মাদায় দুটি করে চারা রোপণ করতে হয়। মাদার ওপরে মাচা দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। রবি মৌসুমে লাউ মাচাবিহীন অবস্থায় চাষ করা যায়। রোপণের পর মাটির অবস্থা বুঝে সেচ দিতে হবে।

লাউয়ে তেমন নেই। তবে দেখা দিতে পারে। এ থেকে করতে হবে। দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে লাউ খাওয়ার উপযুক্ত হয়।

Categories
অন্যান্য

সব ধরনের মাটিতে চাষ করা যায়

চাষকৃত জমি ছাড়াও বসতবাড়ির আশপাশেও লাউয়ের চাষ করা যায়। তবে এ সবজিটি চাষাবাদে বিশেষ প্রয়োজন রয়েছে।বাংলাদেশে প্রায় সব ধরনের মাটিতে লাউ চাষ করা যায়। তবে ও বেলে দোআঁশ মাটি বেশ উপযোগী।

বারি লাউ–১ জাতটি দেশের আবহাওয়ার জন্য উপযুক্ত। এ সবজি রোপণের সঠিক সময় আগস্ট থেকে সেপ্টেম্বর। লাউ শীতকালীন ফসল হলেও এর চাষ করা হয় অর্থাৎ বেশি শীতও নয়, আবার বেশি গরমও নয়–এমন সময়ে।

শীতকালের শুরুতে এর গাছ হয়। লাউ চাষের জন্য পলিথিন ব্যাগে চারা তৈরি করা উত্তম। এছাড়া মাটি দিয়ে মাদা তৈরি করে চারা উৎপাদন করা যায়। বীজ থেকে চারা উৎপাদন হলে বাড়ির আশেপাশে চারা লাগানো যেতে পারে। বেশি পরিমাণে লাউয়ের চাষ করতে চাইলে চাষকৃত জমিতে চাষ ও মই দিয়ে রোপণের জন্য তৈরি করতে হবে। নির্দিষ্ট দূরত্বে প্রতি মাদায় দুটি করে চারা রোপণ করতে হয়। মাদার ওপরে মাচা দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। রবি মৌসুমে লাউ মাচাবিহীন অবস্থায় চাষ করা যায়। রোপণের পর মাটির অবস্থা বুঝে সেচ দিতে হবে।

লাউয়ে তেমন নেই। তবে দেখা দিতে পারে। এ থেকে করতে হবে। দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে লাউ খাওয়ার উপযুক্ত হয়।

Categories
কৃষি

স্বল্পপুঁজিতে বেকারি ব্যবসা ব্যবসা উদ্যোগ ক্যারিয়ার টিপস

হালকা খাবারের ক্ষেত্রে বেকারির খাবার সবার সেরা পছন্দ। অতিথি আপ্যায়নের ক্ষেত্রেও জনপ্রিয় এই খাবারগুলো। বিকালের নাস্তার টেবিলে রুটি, বিস্কুট অথবা কেকের কোনো বিকল্প নেই। কেক ছাড়া জন্মদিন কিংবা কোনো প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানের কথা তো ভাবাই যায় না এখন। ইদানীং বেকারি পণ্য তালিকায় যুক্ত হয়েছে ফাস্টফুড, মিষ্টিসহ হরেক পদের মজার খাবার। এসব পণ্যের দাম সমাজের সব শ্রেণির মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকায় দিন দিন এর চাহিদা বাড়ছে। উৎপাদন খরচ কম হওয়ায় স্বল্পপুঁজিতে শুরু করা যায় এই বেকারি ব্যবসা।

প্রস্তুতি : বেকারির ব্যবসা শুরুর আগে বেকারি ব্যবসায়ে অভিজ্ঞদের কাছ থেকে পরামর্শ এবং তথ্য সংগ্রহ করা প্রয়োজন। বেকারি ব্যবসায়ী এবং যেসব প্রতিষ্ঠান বা দোকানে পণ্য সরবরাহ করা হবে তাদের সঙ্গে কথা বলে এ বিষয়ে একটি স্বচ্ছ ধারণা নেওয়া যাবে। কারখানার জন্য প্রয়োজনীয় সব উপকরণ পাওয়া যায় – এমন সঠিক স্থান নির্বাচন করতে হবে। বেকারি পণ্য বানাতে পারেন, এমন দক্ষ কর্মী নিয়োগ দিতে হবে।

প্রশিক্ষণ : বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বেকারি পণ্য তৈরির ওপর প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে, যা মানসম্পন্ন খাদ্য তৈরি, প্রক্রিয়াকরণ, স্বাস্থ্যগত ও পরিবেশগত উপাদান, খাদ্যনিরাপত্তাসহ নানা বিষয়ে দক্ষতা উন্নয়নে কাজে লাগে। তবে এসব কাজের ক্ষেত্রে ভালো প্রতিষ্ঠানে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ নিলেই ভালো হয়। এ জন্য বিভিন্ন কারখানা থেকে প্রশিক্ষণ নেওয়া যায়।

সম্ভাব্য পুঁজি : বেকারি ব্যবসার জন্য বড়সড় কারখানা দিতে পারেন, আবার শুরু করতে পারেন ছোট পরিসরেও। সবটাই নির্ভর করবে পুঁজির ওপর। প্রথমেই কারখানা ভাড়া নিয়ে মিকশ্চার মেশিন, ওভেনসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ক্রয় করতে হবে। স্বল্পপরিসরে শুরু করলে প্রথমে একটি ছোটখাটো কারখানা আর চার-পাঁচজন দক্ষ কর্মচারী নিলেই চলবে। এর পর প্রয়োজন অনুপাতে কর্মচারীর সংখ্যা ও কারখানার পরিসর বাড়ানো যেতে পারে। পণ্য সরবরাহ করার জন্য ভ্যানের প্রয়োজন হবে। প্রাথমিকভাবে একটা বেকারির ব্যবসা দাঁড় করাতে মোটামুটি দুই লাখ টাকা থেকে শুরু করে পাঁচ লাখ টাকা লাগতে পারে। যদি নিজের কাছে প্রয়োজনীয় পুঁজি না থাকে তবে ঋণদানকারী ব্যাংক, সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান (এনজিও) থেকে স্বল্প সুদে ঋণ নেওয়া যেতে পারে। এসব সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংক এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান (এনজিও) শর্ত সাপেক্ষে ঋণ দিয়ে থাকে।

প্রয়োজনীয় উপকরণ : একটি কারখানায়ই বিস্কুট, কেক, বিভিন্ন ধরনের রুটিসহ সব ধরনের বেকারি পণ্য বানানো যায়। প্রাথমিকভাবে বিস্কুট তৈরিতে লাগবে ওভেন, বিশেষ ধরনের টেবিল, ছাঁচ, পাতা মেশিন (যেখানে বিস্কুট কেটে রাখা হয়) এবং মিকশ্চার মেশিন। কেক বানাতে লাগবে ছাঁচ, বিশেষ ধরনের কাগজ, ছুরি। পাউরুটি বানাতে কিনতে হবে এক বা দুই পাউন্ডের ছাঁচ ও ব্রাশ। এসব যন্ত্রপাতি রাজধানীর বংশাল, নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পাওয়া যায়। কিছু যন্ত্রপাতি আমদানি করা হয় ভারত ও চীন থেকে। এ ছাড়া লাগবে প্যাকেটজাত করা মেশিন, আটা, ময়দা, চিনি, তেলসহ প্রয়োজনীয় পণ্য।

সাবধানতা : ময়দা, ডিম থেকে শুরু করে সব উপাদান যখন একত্র করা হয়, তখন খেয়াল রাখতে হবে যাতে কোনো উপাদানই পরিমাণের চেয়ে কম বা বেশি না হয়। ওভেনে বেকারি সামগ্রী রাখার পর তাপমাত্রা সহনীয় পর্যায়ে রাখতে হবে। বেশি তাপে বিস্কুট পুড়ে নষ্ট হয়। আর পণ্যের গুণগত মানের দিকে বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে। কারণ একবার বাজারে সুনাম পেয়ে গেলে যেমনি খুব অল্প সময়ের মধ্যে সাফল্য অর্জন করা যায় ঠিক তেমনি দুর্নাম হলে উল্টো ঘটনা ঘটতে পারে।

বাজারজাতকরণ : বেকারি ব্যবসায় বাজারজাতকরণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এর জন্য দু-তিনজন দ’ক্ষ লোক রাখতে হবে, যারা বিভিন্ন দোকানে পণ্য সরবরাহ করবেন। বেকারিতে উৎপাদিত এসব পণ্য যে কোনো এলাকায় অবস্থিত মুদি দোকানে বিক্রি করা যাবে। এ ছাড়া সুপার শপগুলোতেও বিক্রি করা যায়। বড় হাসপাতাল, করপোরেট অফিসসহ বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করে পণ্য সরবরাহ করা গেলে ব্যবসা বাড়বে। আবার নিজস্ব শোরুমেও বিক্রি করা যাবে। পণ্য পরিবহনের জন্য নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থা রাখা এ ব্যবসার একটি শর্ত বলা চলে।

Categories
অন্যান্য

স্বল্পপুঁজিতে বেকারি ব্যবসা ব্যবসা উদ্যোগ ক্যারিয়ার টিপস

হালকা খাবারের ক্ষেত্রে বেকারির খাবার সবার সেরা পছন্দ। অতিথি আপ্যায়নের ক্ষেত্রেও জনপ্রিয় এই খাবারগুলো। বিকালের নাস্তার টেবিলে রুটি, বিস্কুট অথবা কেকের কোনো বিকল্প নেই। কেক ছাড়া জন্মদিন কিংবা কোনো প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানের কথা তো ভাবাই যায় না এখন। ইদানীং বেকারি পণ্য তালিকায় যুক্ত হয়েছে ফাস্টফুড, মিষ্টিসহ হরেক পদের মজার খাবার। এসব পণ্যের দাম সমাজের সব শ্রেণির মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকায় দিন দিন এর চাহিদা বাড়ছে। উৎপাদন খরচ কম হওয়ায় স্বল্পপুঁজিতে শুরু করা যায় এই বেকারি ব্যবসা।

প্রস্তুতি : বেকারির ব্যবসা শুরুর আগে বেকারি ব্যবসায়ে অভিজ্ঞদের কাছ থেকে পরামর্শ এবং তথ্য সংগ্রহ করা প্রয়োজন। বেকারি ব্যবসায়ী এবং যেসব প্রতিষ্ঠান বা দোকানে পণ্য সরবরাহ করা হবে তাদের সঙ্গে কথা বলে এ বিষয়ে একটি স্বচ্ছ ধারণা নেওয়া যাবে। কারখানার জন্য প্রয়োজনীয় সব উপকরণ পাওয়া যায় – এমন সঠিক স্থান নির্বাচন করতে হবে। বেকারি পণ্য বানাতে পারেন, এমন দক্ষ কর্মী নিয়োগ দিতে হবে।

প্রশিক্ষণ : বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বেকারি পণ্য তৈরির ওপর প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে, যা মানসম্পন্ন খাদ্য তৈরি, প্রক্রিয়াকরণ, স্বাস্থ্যগত ও পরিবেশগত উপাদান, খাদ্যনিরাপত্তাসহ নানা বিষয়ে দক্ষতা উন্নয়নে কাজে লাগে। তবে এসব কাজের ক্ষেত্রে ভালো প্রতিষ্ঠানে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ নিলেই ভালো হয়। এ জন্য বিভিন্ন কারখানা থেকে প্রশিক্ষণ নেওয়া যায়।

সম্ভাব্য পুঁজি : বেকারি ব্যবসার জন্য বড়সড় কারখানা দিতে পারেন, আবার শুরু করতে পারেন ছোট পরিসরেও। সবটাই নির্ভর করবে পুঁজির ওপর। প্রথমেই কারখানা ভাড়া নিয়ে মিকশ্চার মেশিন, ওভেনসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ক্রয় করতে হবে। স্বল্পপরিসরে শুরু করলে প্রথমে একটি ছোটখাটো কারখানা আর চার-পাঁচজন দক্ষ কর্মচারী নিলেই চলবে। এর পর প্রয়োজন অনুপাতে কর্মচারীর সংখ্যা ও কারখানার পরিসর বাড়ানো যেতে পারে। পণ্য সরবরাহ করার জন্য ভ্যানের প্রয়োজন হবে। প্রাথমিকভাবে একটা বেকারির ব্যবসা দাঁড় করাতে মোটামুটি দুই লাখ টাকা থেকে শুরু করে পাঁচ লাখ টাকা লাগতে পারে। যদি নিজের কাছে প্রয়োজনীয় পুঁজি না থাকে তবে ঋণদানকারী ব্যাংক, সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান (এনজিও) থেকে স্বল্প সুদে ঋণ নেওয়া যেতে পারে। এসব সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংক এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান (এনজিও) শর্ত সাপেক্ষে ঋণ দিয়ে থাকে।

প্রয়োজনীয় উপকরণ : একটি কারখানায়ই বিস্কুট, কেক, বিভিন্ন ধরনের রুটিসহ সব ধরনের বেকারি পণ্য বানানো যায়। প্রাথমিকভাবে বিস্কুট তৈরিতে লাগবে ওভেন, বিশেষ ধরনের টেবিল, ছাঁচ, পাতা মেশিন (যেখানে বিস্কুট কেটে রাখা হয়) এবং মিকশ্চার মেশিন। কেক বানাতে লাগবে ছাঁচ, বিশেষ ধরনের কাগজ, ছুরি। পাউরুটি বানাতে কিনতে হবে এক বা দুই পাউন্ডের ছাঁচ ও ব্রাশ। এসব যন্ত্রপাতি রাজধানীর বংশাল, নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পাওয়া যায়। কিছু যন্ত্রপাতি আমদানি করা হয় ভারত ও চীন থেকে। এ ছাড়া লাগবে প্যাকেটজাত করা মেশিন, আটা, ময়দা, চিনি, তেলসহ প্রয়োজনীয় পণ্য।

সাবধানতা : ময়দা, ডিম থেকে শুরু করে সব উপাদান যখন একত্র করা হয়, তখন খেয়াল রাখতে হবে যাতে কোনো উপাদানই পরিমাণের চেয়ে কম বা বেশি না হয়। ওভেনে বেকারি সামগ্রী রাখার পর তাপমাত্রা সহনীয় পর্যায়ে রাখতে হবে। বেশি তাপে বিস্কুট পুড়ে নষ্ট হয়। আর পণ্যের গুণগত মানের দিকে বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে। কারণ একবার বাজারে সুনাম পেয়ে গেলে যেমনি খুব অল্প সময়ের মধ্যে সাফল্য অর্জন করা যায় ঠিক তেমনি দুর্নাম হলে উল্টো ঘটনা ঘটতে পারে।

বাজারজাতকরণ : বেকারি ব্যবসায় বাজারজাতকরণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এর জন্য দু-তিনজন দ’ক্ষ লোক রাখতে হবে, যারা বিভিন্ন দোকানে পণ্য সরবরাহ করবেন। বেকারিতে উৎপাদিত এসব পণ্য যে কোনো এলাকায় অবস্থিত মুদি দোকানে বিক্রি করা যাবে। এ ছাড়া সুপার শপগুলোতেও বিক্রি করা যায়। বড় হাসপাতাল, করপোরেট অফিসসহ বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করে পণ্য সরবরাহ করা গেলে ব্যবসা বাড়বে। আবার নিজস্ব শোরুমেও বিক্রি করা যাবে। পণ্য পরিবহনের জন্য নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থা রাখা এ ব্যবসার একটি শর্ত বলা চলে।